সংবাদদাতা : পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাকারিয়া পিন্টু, সোনামনি, মেহেদী হাসান ও জাকির হোসেন জুয়েল নামের এই চার ভাই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক পাচার ও পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন । অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তাদের তৎপরতার কারণেই পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বিএনপির ভরাডুবি হয়েছে এবং দলটি এলাকায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহিষ্কৃত চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সম্পদের বিবরণ মোঃ জাকারিয়া পিন্টু: তিনি ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং সম্প্রতি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন । তার বিরুদ্ধে নিজ গ্রামে দুইটি ডুপ্লেক্স বাড়ি, ঈশ্বরদী রেলগেট এলাকায় 'সুলভ বাজার' নামক একটি সুপারশপ, ঈশ্বরদী বাংলা মদের ভাটির পিছনে সাড়ে চার বিঘা জমি, পুরাতন ইসলামিয়া হাসপাতাল সংলগ্ন আরামবাগে পাঁচ কাঠার প্লট, ঢাকার বাড্ডায় একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট এবং চারটি নতুন মডেলের প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৭-১৪১০) থাকার তথ্য পাওয়া...
পাবনা পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে বই বিতরণে শিক্ষক উত্তমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ কৌশিক হোসেন : পাবনা পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক উত্তম কুমার এর বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বেলা ২টায় এ অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী এদিন সকাল ১০ টা থেকে বিতরণ শুরু হয়। উত্তীর্ণ না হওয়া দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বই বিতরণ করছিলেন তিনি। শিক্ষার্থীদের একাধিক অভিভাবকের কাছ থেকে জানা যায় যেসব শিক্ষার্থী উত্তম কুমারের কাছে প্রাইভেট কোচিংয়ে পড়ে তারাই সহজে বই পেয়ে যাচ্ছে। আর যারা প্রাইভেট পড়ে না তাদের বইয়ের দেখা পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ যোগ্য ও নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের অনেকেই বই থেকে বঞ্চিত হয়েছে অভিযোগের সত্যতা জানতে পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক উত্তম কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনারা অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এরপর বারবার ফোন...
পর্ব ২: প্রসূতির মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি খালেদ আহমেদ : পাবনার পুঙ্গলি ইউনিয়নের দত্ত পুঙ্গলি শালকে পাড়া গ্রামের বিলকিস খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আল-শেফা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংবাদ সংগ্রহকারী সাংবাদিকেরা। ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করতে নিহতের বাড়িতে যেতে সাংবাদিকদের অনেক রাত হয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছালে সেখানে রানি খাতুন নামে একজন আয়া এবং রিমা খাতুন নামে একজন সিস্টারকে পাওয়া যায়। তাঁরা হাসপাতালের মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মালিকপক্ষের কেউ সামনে এসে বক্তব্য দেননি। দীর্ঘ চেষ্টার পর সিস্টার রিমা খাতুন মালিক মেহেদী হাসানের একটি মুঠোফোন নম্বর দেন। ওই নম্বরে ফোন করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আরও একটি নম্বর চাইলে রিসেপশনের নম্বর দেওয়া হয়। সেখানে কল করলে রিমা খাতুনের কাছেই ফোনটি বেজে ওঠে। তখন তিনি জানান, নম্বরটি বর্তমানে তাঁর কাছে রয়েছে সকালে রিসেপশনিস্টের কাছে থাকবে, তখন যোগাযোগ করতে বলেন। সাংবাদিকেরা পরে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে আর...
Comments
Post a Comment