পাবনায় অবৈধ শিক্ষকের কোচিংয়ে শিশুকে পি*টিয়ে র*ক্তাক্ত জখম
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি :
পাবনার ঈশ্বরদীতে বেত দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীর বাবা। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) পৌর শহরের দরিনারিচা রহমান কলোনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পৌর শহরের সাউথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক উত্তম কুমার দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। শিক্ষার্থী রাফসান পৌর শহরের শহীদ আমিনপাড়া এলাকার রকিবুল ইসলাম রকিবের ছেলে ও সাউথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। রাফসানের বাবা রকিবুল ইসলাম বলেন, সাউথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার মজুমদার ও খণ্ডকালীন শিক্ষক উত্তম কুমার দাস পৌর শহরের রহমান কলোনীর বাড়ি ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার খুলেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ওই কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়ার সময় শিক্ষক উত্তম কুমার শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘আজ আমার মাথা ঠিক নেই, কথা বললে মার দিবো।’ এসময় রাফসান বলে, আপনিতো স্যার সবসময় মারেন। এখনতো আপনার বেত ভাঙা। কী দিয়ে মারবেন। এ কথা শোনার পর শিক্ষক উত্তম কুমার সব শিক্ষার্থীকে বলেন আজ তোদের ‘একটি ম্যাজিক দেখাবো’ এ কথা বলেই ঘরের ভেতর থেকে বেত বের করে এনে রাফসানকে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। এ সময় রাফসান বেঞ্চ থেকে পড়ে গেলে সেখানেও পেটাতে পেটাতে রক্তাক্ত করেন। এক পর্যায়ে রাফসান অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে তুলে বেঞ্চে শুইয়ে দেন। জ্ঞান ফেরার পর রাফসান বাড়িতে এলে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রকিবুল ইসলাম আরও বলেন, সাউথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার মজুমদার অভিভাবকদের বিভিন্ন সময় বলেন, আপনাদের সন্তানদের উত্তম কুমারের কাছে প্রাইভেট পড়তে দিন। সে ভালো পড়াতে পারে। তার কাছে প্রাইভেট পড়লে ফলাফল ভালো করবে। প্রধান শিক্ষকের কথামতো সেখানে প্রাইভেট পড়তে দিয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষক আত্মীয়তার সুবাদে অবৈধভাবে উত্তম কুমারকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ঈশ্বরদী উপজেলার অন্য কোনো সরকারি স্কুলে এ ধরনের খণ্ডকালীন শিক্ষক নেই।
সিএনএফ টিভি।

Comments
Post a Comment