পাবনা দাশুড়িয়ার কাজীর বাল্যবিয়েসহ নিকাহ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ
আইএনএস :
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নে বিয়ে রেজিস্টারের বিরুদ্ধে জাল সনদ তৈরি করে বাল্যবিয়ে রেজিস্ট্রেশন করাসহ নিকাহ আইন বিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের খয়ের বাড়ীয়া গ্রামের আব্দুল বারেক মন্ডলের ছেলে ফজলুল করিম তার নিজ
ইউনিয়নে কাজী অফিস খুলে লাইসেন্স প্রাপ্ত হন। লাইসেন্স পাওয়ার পর থেকে তিনি নিজ ইউনিয়ন দাশুড়িয়ার বাইরের ইউনিয়নেও বাল্যবিয়ে, গোপন ও প্রকাশ্য বিয়ে এবং নাবালক ও নাবালিকা ছেলে-মেয়েদের জাল সনদ তৈরি করে বিয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থ উপার্জন করেন। তার
বিরুদ্ধে দাশুড়িয়া এমএম উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ‘খথ শাখার ছাত্রীকে গোপন বিয়ে দেওয়া এবং কাবিন নামা গায়েব করার অভিযোগ
করেন ওই ছাত্রীর পিতা ইউছুপ আলী। তিনি গত ১৬ মার্চ ২০১৭
ইং ইশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এ অভিযোগ করেন। এ ছাড়া ফজলুল করিম সলিমপুর ইউনিয়নে অসাধু ব্যক্তির যোগ সাজসে
ভাড়ইমারী আনন্দ বাজারে সাইনবোর্ড লাগিয়ে অবৈধ বিয়ে রেজিস্টার পরিচালনা করছেন। এক গোপন বিয়ে দিতে গিয়ে ধরাপড়ে এলাকার ইউপি সদস্যের হাতে। তার রেজিস্টার খাতা আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে। এসব অভিযোগের ব্যাপারে সলিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ
বাবলু মালিথা বলেন, এক ইউনিয়নের কাজী আর এক ইউনিয়নে বাল্যবিয়েসহ অবৈধ কাবিন নামা করে। আমার কাছে প্রায়ই এমন অভিযোগ আসে। আমি ইউএন্ও সাহেবকে প্রত্যেক কাজীর লাইসেন্স
বাতিল করে নতুন লোক বেছে লাইসেন্স দেওয়ার কথা বলেছি। পাবনা জেলা প্রশাসক, ইশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার,পাবনা জেলা রেজিস্টার বরাবর কাজী ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে একাধিক অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ও মাও: মো. আব্দুল জলিল।
সিএনএফ টিভি।
Comments
Post a Comment