সাঁথিয়ায় বিধবাকে গণধ*র্ষণ
সাঁথিয়া প্রতিনিধি :
৩৩ বছর বয়সের ১ সন্তানের জননী গণধ*র্ষণের স্বীকার হয়েছেন। ৮ দিন পার হলেও থানা পুলিশ ধ*র্ষণকারীদের আটক করতে পারেনি। ঘটনাটি
ঘটেছে সাঁথিয়ার মিয়াপুর- চরভদ্রকোলা সড়কের বাগানে। জানা যায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যার দিকে বিধবা উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজারে ঝি এর কাজ করে। কাজ শেষ করে বাড়ী যাওয়ার সময় ওৎ পেতে থাকা তিন যুবক হাত, পা ও মুখ ঘামছা দিয়ে বেধে মিয়াপুর- চরভদ্রকোলা সড়কের একটি নিরীবিলি বাগানে নিয়ে গিয়ে জোড় পূর্বক গণধ*র্ষণ করে। ধর্ষিতা জানান,
প্রতিদিনের ন্যায় কাজ শেষ করে সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ী যাওয়ার সময় একই উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে নূহ (৩৫), আব্দুর রহমানের ছেলে নাছির (৩৬) ও নূর আলীর ছেলে সাইফুল (৩৫) তার মুখে ঘামছা ও হাত পা বেধে তুলে বাগানে নিয়ে গিয়ে ধ*র্ষণ করে। এতে বিধবা অজ্ঞান হয়ে পড়লে ধর্ষকরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ধর্ষিতা বাড়ী গিয়ে পিতা ও এলাকাবাসীকে জানান। গ্রাম প্রধানরা বিচার করে দিবে বলে আশ্বাস দিয়ে বিচার না করে কালক্ষেপন করতে থাকেন। ধ*র্ষিতা বাদী হয়ে নূহ, নাছির ও সাইফুলকে আসামী করে সাঁথিয়া থানায় একটি ধ*র্ষণ মামলা করেন। থানা পুলিশ সরজমিনে তদন্ত করে ২২ ফেব্রুয়ারি ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা করান। কান্না জড়িত কন্ঠে ধ*র্ষিতা বলেন, আমার একমাত্র একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ৮/৯ বছর আগে আমার বিয়ে হয়েছিল। সন্তান হওয়ার ৩/৪ বছর পর স্বামী মারা যান। প্রতিদিন মজুরী হিসেবে ৪৫০ টাকা পাই। সেটা দিয়ে গরীব পিতার ঘরে কন্যাকে নিয়ে দিন কাটাচ্ছি। ৮ দিন গত হলেও ধ*র্ষণকারীরা গেফতার না হওয়ায় ধ*র্ষিতাসহ তার পরিবার পরিজন আত*ঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিন জনকে আসামী করে থানায় একটি ধ*র্ষণ মামলা হয়েছে। খুব শিঘ্রই আসামীরা গেফতার হবে।
সিএনএফ টিভি।
Comments
Post a Comment